
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের নির্বাচনী মাঠ এখন সরগরম। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর প্রচার-প্রচারণায় মুখর চারপাশ। তবে সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবার এই আসনে ‘রিকশা’ ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের মধ্যে একটি স্মরণীয় ও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত ও ১০ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী **মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লা** তার ব্যাপক জনসমর্থন ও সাংগঠনিক শক্তির মাধ্যমে নির্বাচনী সমীকরণে বড় ধরণের চমক সৃষ্টি করেছেন।
২৮ জানুয়ারি বুধবার বিকেলে ভাঙ্গা উপজেলায় অনুষ্ঠিত বিশাল নির্বাচনী গণমিছিলটি ছিল চোখে পড়ার মতো। বিকেল ৫টায় ভাঙ্গা ঈদগাহ ময়দান থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলে যোগ দেন তিন উপজেলার হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থক। মিছিলটি ভাঙ্গা বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গোলচত্বর এলাকায় গিয়ে এক বিশাল সমাবেশে রূপ নেয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভ ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে এই গণমিছিলের দৃশ্য ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেনরা মাওলানা মিজানুর রহমান মোল্লার পরিচ্ছন্ন রাজনীতি এবং গণমানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতার প্রশংসা করছেন। অনলাইন কমেন্টে অনেক ভোটারই তাঁকে **”উন্নয়ন ও ইনসাফের কারিগর”** এবং **”ভাঙ্গা-সদরপুরের আস্থার প্রতীক”** হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মো. মিজানুর রহমান মোল্লা বলেন:
”জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই বলে দিচ্ছে পরিবর্তনের সময় এসেছে। রিকশা মার্কা ইনশাআল্লাহ বিজয়ী হবে। আমরা একটি বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়তে চাই। জোটের আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে এবং আগামী ২ ফেব্রুয়ারি আমাদের আমীর আল্লামা মামুনুল হকের আগমনে সকল দ্বিধাদ্বন্দ্বের অবসান ঘটবে বলে আমরা আশাবাদী।”
তিনি প্রশাসনের প্রতি একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে হুশিয়ারি দেন যে, সাধারণ ভোটারদের মনে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
ভাঙ্গা উপজেলা সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন:
জেলা কমিটির সভাপতি মাওলানা আমজাদ হোসাইন,
– সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবু নাছির আইয়ুবী,
– সদরপুর উপজেলার প্রধান উপদেষ্টা মুফতি জাকির হোসাইন,
– সদরপুর সভাপতি মাওলানা সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী,
– চরভদ্রাসন উপজেলার সভাপতি মুফতি জাকারিয়া,
স্থানীয়দের মতে, মিজানুর রহমান মোল্লা কেবল একজন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বই নন, বরং একজন জনবান্ধব নেতা হিসেবে গত কয়েক বছর ধরে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। তাঁর বিনয়ী আচরণ এবং প্রান্তিক মানুষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ তাঁকে অন্যান্য প্রার্থীর চেয়ে আলাদা করে তুলেছে। অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোর বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ক্লিন ইমেজের কারণে জোটের সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝেও তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী।