ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের সাওথার নয়াকান্দী গ্রামের কৃতি সন্তান, কুয়েত প্রবাসী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক দাদন মীর দীর্ঘ ছয় বছর ধরে নিরলসভাবে আর্তমানবতার সেবা করে যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি আজ এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে গতকাল ১৯ মার্চ, বৃহস্পতিবার দাদন মীরের পক্ষ থেকে বিশেষ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। দিনভর কয়েকশ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে চাল, চিনি, সেমাই, তেল ও গরুর মাংস বিতরণ করা হয়। ঈদ উপলক্ষে এই বিশেষ উপহার পেয়ে আনন্দিত এলাকার সাধারণ মানুষ।
দাদন মীর কেবল উৎসবেই সীমাবদ্ধ নন। গত ছয় বছর ধরে তিনি নিয়মিতভাবে এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ও দান-অনুদান দিয়ে আসছেন। বিশেষ করে:
মসজিদ-মাদ্রাসা:ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তাঁর অনুদান সর্বজনবিদিত।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:স্কুল-কলেজের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে তিনি ভূমিকা রেখে চলেছেন।
ব্যক্তিগত সহায়তা: গ্রামের যেকোনো অসহায় মানুষের বিপদে দাদন মীর সব সময়ই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
উক্ত বিতরণ কর্মসূচিটি দেলোয়ার মাতুব্বরের দক্ষ পরিচালনায় এবং নুর আলম মীরের সার্বিক সহযোগিতায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন তৈয়ব আলী মীর, রব মাতুব্বর সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপস্থিত বক্তারা দাদন মীরের এই মহানুভবতার প্রশংসা করে বলেন, প্রবাসে থেকেও নিজ গ্রামের মানুষের কথা এভাবে কেউ ভাবেন না, যা দাদন মীর করে দেখাচ্ছেন।
এলাকাবাসীর মতে, দাদন মীর একজন সাদা মনের মানুষ। প্রচারবিমুখ এই মানুষটি গোপনে ও প্রকাশ্যে অসংখ্য মানুষের চোখের পানি মুছেছেন। তাঁর এই মহতী উদ্যোগ কালামৃধা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের কাছে তাঁকে এক জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিতে পরিণত করেছে। এলাকার মানুষ তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন যাতে তিনি ভবিষ্যতেও একইভাবে মানুষের পাশে থাকতে পারেন।