পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক সৈয়দ মঞ্জুরুল হক**। সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ঈদবস্ত্র (শাড়ি) বিতরণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করা হয়।
কালামৃধা ইউনিয়নের প্রায় ১,০০০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে এই শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে সকলকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে এই উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত এলাকাবাসী জানান, পুরো উপজেলায় বর্তমানে একমাত্র সৈয়দ মঞ্জুরুল হকের পক্ষ থেকেই এতো বড় পরিসরে ঈদবস্ত্র বিতরণ করতে দেখা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এমনকি রাস্তার অসহায় ভ্যানচালকদের মাঝেও এই শাড়ি বিতরণ করা হয়, যা উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
অনুষ্ঠানটিতে সাংবাদিক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গার স্বনামধন্য সাংবাদিক মোঃ সানোয়ার হোসেন। তার উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি পেশাদারিত্বের সাথে সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে।
পুরো বিতরণ কার্যক্রমটি সমাজসেবক মোঃ দাদন মিয়ার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। আয়োজনটি সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মোঃ জাকির হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোঃ লাভলু,মোঃ আতিক হোসেন, সেখ ফরিদ, মোঃ নুরুসলাম, মোঃ করিম, মোঃ সামছুল, বাসায় মাতব্বর, রব শরিফ, বাচ্চু হাওলাদার এবং মজিবর মাস্টারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এলাকার উন্নয়নে ও আর্তমানবতার সেবায় সৈয়দ মঞ্জুরুল হক এবং ডাইরেক্টর বাবু মিয়ার অবদান আজ সর্বজনবিদিত।
সৈয়দ মঞ্জুরুল হক: তিনি কেবল একজন সফল ব্যবসায়ী নন, বরং একজন নিভৃতচারী সমাজসেবক। বিপদে-আপদে তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে দাঁড়ান।
ডাইরেক্টর বাবু মিয়া: তার দূরদর্শী দিকনির্দেশনা এবং জনহিতৈষী কর্মকাণ্ড এলাকার সামাজিক কাঠামোকে মজবুত করছে। তাদের এই যৌথ প্রচেষ্টা ভাঙ্গার সাধারণ মানুষের মনে এক আস্থার জায়গা তৈরি করেছে।
উপহার পেয়ে কালামৃধা ইউনিয়নের সুবিধাভোগীরা অত্যন্ত আনন্দ প্রকাশ করেছেন। তারা আবেগপ্লুত হয়ে বলেন, সৈয়দ মঞ্জুরুল হক সাহেব সবসময় আমাদের বিপদে-আপদে খোঁজ নেন। ঈদের এই খুশিতে আমাদের নতুন কাপড়ের ব্যবস্থা করে দিয়ে তিনি মহৎ হৃদয়ের পরিচয় দিয়েছেন। তার মতো মানুষ সমাজে থাকলে গরিব মানুষের আর কষ্ট থাকে না।