
ইসলামি মূল্যবোধের আলোকবর্তিকা হয়ে ওঠা প্রিয় স্বদেশ বাংলাদেশে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশে ফেরার পর যে ঘোষণা দিয়েছিলেন—পবিত্র মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শে দেশ পরিচালনার—তার বাস্তব প্রতিফলন এখন দেশবাসী প্রত্যক্ষ করছে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দেখা গেছে এক অনন্য এবং আধ্যাত্মিক আবহ। প্রথাগত রাজনৈতিক সংস্কৃতির বাইরে গিয়ে তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নিজের দপ্তরে নিজের ছবি, পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কিংবা মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছবি না টাঙিয়ে তিনি স্থাপন করেছেন ইসলামের মূল ভিত্তি মহান কালিমার ওয়ালমেট— ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাঃ)’।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং সাধারণ মানুষ এই পরিবর্তনকে কেবল একটি বাহ্যিক সাজসজ্জা হিসেবে দেখছেন না। বরং এটি যে কোটি মানুষের হৃদয়ের বিশ্বাস এবং ধর্মীয় অনুভূতির প্রতিফলন, তা আজ স্পষ্ট। মহানবীর (সা.) সুন্নাহ এবং ইনসাফের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার যে অঙ্গীকার তিনি করেছিলেন, দপ্তরে কালিমার এই উপস্থিতি সেই অঙ্গীকারেরই প্রতীক।
জনসাধারণ মনে করছেন, এটি কেবল একটি পরিবর্তন নয়, বরং বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি নতুন এবং আদর্শিক অধ্যায়ের সূচনা। জনাব তারেক রহমানের এই দূরদর্শী এবং ধর্মপ্রাণ পদক্ষেপগুলো আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই উদ্যোগের ব্যাপক প্রশংসা দেখা যাচ্ছে। নেটিজেনরা বলছেন, নেতার দপ্তরে যখন আল্লাহর একত্ববাদ এবং রাসুলের (সা.) নাম শোভা পায়, তখন সেই নেতৃত্বে বরকত এবং ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়া সুনিশ্চিত।
দেশের আলেম-ওলামা এবং সর্বস্তরের তৌহিদী জনতা প্রধানমন্ত্রীর এই সাহসী ও আদর্শিক পদক্ষেপের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছেন এবং তার দীর্ঘায়ু ও সাফল্য কামনায় দোয়া করছেন।